1. [email protected] : জবসেলফ প্রতিবেদক : জবসেলফ প্রতিবেদক
  2. [email protected] : জব সেলফ : জব সেলফ
২০ হাজার কোটি টাকা স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডের গেজেট প্রকাশ
সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন

২০ হাজার কোটি টাকা স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডের গেজেট প্রকাশ

  • পোষ্ট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই, ২০২১
বিএসইসি
বিএসইসি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানি ও মিউচুয়্যাল ফান্ডের বিতরণ না হওয়া ডিভিডেন্ডের পরিমাণ ২০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। দীর্ঘদিন যাবত এই অর্থ কোম্পানিগুলোর কাছে অলস পড়ে রয়েছে। সেই অর্থ নিযে গঠন করা হচ্ছে ‘ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড’। পুঁজিবাজারের উন্নয়নে এ তহবিল ব্যবহার করা হবে।

ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড গঠনের প্রস্তাব ইতোমধ্যে অনুমোদন করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

তহবিলটি পরিচালনার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে ‘ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড রুলস, ২০২১’ । গত রোববার (২৭ জুন) রুলসটি গেজেটে প্রকাশ করা হয়েছে।

ফলে এ তহবিল গঠন ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আর কোনো বাধা থাকলো না।

ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডের ২০ হাজার কোটির টাকার মধ্যে ক্যাশ ডিভিডেন্ডের পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা। আর স্টক ডিভিডেন্ডের বাজার মূল্য প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা। এ তহবিলটি পরিচালনা করবে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান।

ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড ব্যবস্থাপনায় ১১ সদস্যের বোর্ড অব গভর্নস থাকবে। যার মধ্যে একজন চেয়ারম্যান ও ৩ জন সদস্য থাকবেন, যারা বিএসইসি কর্তৃক মনোনীত হবে। এছাড়াও বোর্ড অব গভর্নসে বিএসইসি থেকে ৪ জন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল), সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিসিবিএল), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ (বিএপিএলসি) থেকে একজন করে মনোনীত সদস্য থাকবেন। আর একজন প্রফেশনার চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টস বা কস্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্টস বা চার্টার্ড সেক্রেটারি বা চার্টার্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট এবং একজন চিফ অব অপারেশন (সিওও) থাকবেন।

তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সকল অবণ্টিত ডিভিডেন্ড এবং ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের কাছে তিন বছরের অধিক সময় পড়ে থাকা অর্থ-শেয়ার এই তহবিলে স্থানান্তর করা হবে। তিন বছরের হিসাব হবে ডিভিডেন্ড ঘোষণা বা অনুমোদনের দিন বা রেকর্ড ডেট থেকে। এক্ষেত্রে ক্যাশ ডিভিডেন্ড বা অর্থ ব্যাংক হিসাবে জমা থাকায় কোনো সুদ অর্জিত হলে, তাও এ তহবিলে দিতে হবে।

ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডে শেয়ার বা টাকা হস্তান্তরের পরও তা দাবি করতে পারবেন সংশ্নিষ্ট বিনিয়োগকারী। নিজের দাবির প্রমাণসহ সংশ্নিষ্ট কোম্পানি বা সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানি বা ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকের আছে আবেদন করতে হবে। আবেদনের এক মাসের মধ্যে ওই বিনিয়োগকারীর শেয়ার বা টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড থেকে বাজারের তারল্যপ্রবাহ এবং গভীরতা বাড়াতে শেয়ার কেনাবেচা বা ধার প্রদান বা ধার গ্রহণ করা হবে। শেয়ার কেনাবেচা করতে গিয়ে তহবিলের কোনো লোকসান না হয়, তার জন্য সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন করা হবে, থাকবে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও অডিট কমিটি।

Please Share This Post in Your Social Media

এ ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ দেখুন